সারাদেশ
গাজীপুরে ঈদযাত্রায় শ্রমজীবীসহ ঘরমুখী মানুষের ঢল

নাড়ির টানে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করতে গাজীপুরসহ রাজধানী ছাড়ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সরকারি ছুটির দ্বিতীয় দিনে বেশির ভাগ তৈরি পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ায় শ্রমজীবী মানুষের ঢল নেমেছে মহাসড়কে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত চাপের কারণে গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলছে। এছাড়া নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে তাদের কয়েক গুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে বাস, মিনিবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে ছুটছেন মানুষ। অনেকে কম ভাড়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে করেও বাড়ি ফিরছেন। সকাল থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। এতে টঙ্গী, গাজীপুরা থেকে বোর্ড বাজার, ভোগড়া বাইপাস ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় যানবাহন ধীরগতিতে চলছে।
মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন পার্কিং, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা ও মানুষের জটলা থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কবীরপুর থেকে কালিয়াকৈর বাইপাস এবং সফিপুর থেকে চন্দ্রা অংশে যানবাহনের চাপ গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেক বেড়েছে। এতে এসব পয়েন্টে যান চলাচল স্বাভাবিক গতিতে হচ্ছে না এবং থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
পুলিশ বলছে, এবার ঈদে ২০ লাখের বেশি শ্রমজীবী মানুষ গাজীপুর ছাড়বেন। গতকাল ৪৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছে, এবং মঙ্গলবার দুপুরের পর আরও ৪৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হবে। এতে দুপুরের পর মহাসড়কে মানুষের ঢল আরও বাড়বে এবং যানবাহনের চাপও বৃদ্ধি পাবে।
তবে যানজট নিরসনে তারা তৎপর রয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়ে কাজ করছেন।







