জাতীয়

বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

ডেস্ক

শেয়ারঃ

বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির- খবরের থাম্বনেইল ফটো

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার দৃঢ় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এই প্রতিশোধ নেওয়া শুধু তার পরিবারের সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি সমগ্র ইরানি জাতির ইচ্ছা ও দাবি।


আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের পর প্রথমবারের মতো দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১১ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বিবৃতিটি প্রচার করা হয়।


বিবৃতিতে খামেনি বলেন, ‘আমরা সেই অপরাধী ও কলঙ্কিত হত্যাকারীদের কাছ থেকে শহীদ নেতা (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি) এবং দুটি যুদ্ধের সকল শহীদের ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করছি। এই প্রতিশোধ ‘অবশ্যই’ এবং ‘অনিবার্যভাবে’ কার্যকর করা হবে।”


এই প্রতিশোধের মিশন কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার বেঁচে থাকা বা না থাকার ওপর নির্ভর করে না- উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বেঁচে থাকি বা না থাকি, এই লক্ষ্য অর্জিত হবেই।’


বিবৃতিতে বাবার শেষকৃত্য ও জানাজায় ইরান ও ইরাক জুড়ে কোটি কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমাগমের জন্য তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মোজতবা খামেনি।


তিনি বলেন, ‘ইরান ও ইরাক জুড়ে, বিশেষ করে তেহরান, কোম, নজফ, কারবালা এবং মাশহাদে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই অবিশ্বাস্য, শত্রু-বিধ্বংসী ও ঐতিহাসিক সমাবেশের জন্য আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’


প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। একই হামলায় গুরুতর আহত হলেও মোজতবা খামেনি দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।


তবে নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকির কারণে এবং ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কায় ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা শুরু থেকেই সম্পূর্ণ আড়ালে রয়েছেন এবং সময়ে সময়ে শুধু লিখিত বিবৃতি দিয়ে আসছেন। এমনকি মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে অনুষ্ঠিত বাবার দাফন ও সপ্তাহব্যাপী শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও তিনি সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি।


সম্পর্কিত খবর