ক্যাম্পাস
উপেক্ষা করতে করতে হাজার হাজার ভাই-ব্রাদার হারালেন : এনসিপিকে উদ্দেশ্য করে সালাহউদ্দিন আম্মার

অভ্যুত্থানের নেতারা যে দলই বানাবে সেটাই আমার প্রাণের সংগঠন তবে আমি সেই সময়গুলোকেই দায়ী করবো যে সময় ভাই-ব্রাদার বানানোর পরিবর্তে মানুষকে মূল্যায়ন করেছিলেন ফ্যান-ফলোয়ার দিয়ে। উপেক্ষা করতে করতে হাজার হাজার ভাই-ব্রাদার হারালেন বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাবির সাবেক সমন্বয়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু'র) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।
শুক্রবার (৬ মার্চ) গভীর রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, আপনারা অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন। জুলাইয়ের পরে ইমাম, মাস্টারমাইন্ড, মুয়াজ্জিন, নয় দফার ঘোষক, কে কারে আশ্রয় দিছে, কে কারে মোবাইল কিনে দিছে এগুলো নিয়ে চরম মাত্রার পাগলামি করা হয়েছে। আমি সেই সময়গুলোকেই দায়ী করবো যে সময় ভাই-ব্রাদার বানানোর পরিবর্তে মানুষকে মূল্যায়ন করেছিলেন ফ্যান-ফলোয়ার দিয়ে। নেপালে গন-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া নেতারা সরকার গঠন করেছে কারন সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাই, ভাই-ব্রাদার কোরাম নাই।
জুলাইয়ের পরবর্তী ঢাবি সিন্ডিকেট নিয়ে তিনি বলেন, ঢাবির কোনায় কোনায় জুলাই নিয়ে কোটি কোটি টাকার কালচারাল প্রোগ্রাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা আয়োজনের প্রপোজাল নিয়ে দিনের পর দিন আমাদের অভ্যুত্থানের নেতাদের সাথে দেখা করার জন্য ঘুরেছি। এতো উপেক্ষিত ছিলাম যে আমার সব ঠিক আছে হয়তো একটাই ভুল আমি ঢাবিতে চান্স পাইনি।
তিনি আরও বলেন, আমি তখন (জুলাই পরবর্তী সময়) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন মুভমেন্ট করতেছিলাম। তখন চলমান ছিলো পোষ্য কোটা আন্দোলন। আমাদের জাতীয় নেতারা এগুলো নিয়ে এতোটাই পড়ে ছিলো যে তারা ঢাবি থেকে একটা ডাক দিয়ে পোষ্য কোটা বাতিলের আওয়াজ তোলার সময় পায়নি।
উল্লেখ্য, নেপালে গনঅভ্যুত্থানকারীরা সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এনসিপির ব্যর্থতার আলোচনা যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব ঠিক তখনই এমন মন্তব্য করেন জিএস আম্মার।








