বাণিজ্য
নারী দিবসে নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী, তিন নারীকে সম্মাননা

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যের প্রদর্শনী আয়োজন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল তিন নারীকে সম্মাননা প্রদান করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন।
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর পর্যটন ভবন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান। এ আয়োজনটি যৌথভাবে করে এসএমই ফাউন্ডেশন ও ইস্টার্ন ব্যাংক।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক পর্ষদের সদস্য ও বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার, ইস্টার্ন ব্যাংক-এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. খোরশেদ আনোয়ার, বিশ্ব ব্যাংক-এর সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনাল-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ দীপ্তা রক্ষিত।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় তিন নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তারা হলেন বিল্ড (বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম, টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির-এর প্রতিষ্ঠাতা মনিরা ইমদাদ এবং রেইনবো ভ্যালি ডে-কেয়ার-এর প্রতিষ্ঠাতা জিনিয়া জেসমিন করিম।
‘অধিকার ও ন্যায়বিচারের আলোয় আলোকিত হোক ব্যবসার অঙ্গন’ শীর্ষক বিশেষ সেশনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেন্ডার ও নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ নিলুফার আহমেদ। এছাড়া নারী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ১০ জন নারী উদ্যোক্তার তৈরি বিভিন্ন পণ্যের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার মধ্যে নারী উদ্যোক্তার হার সাড়ে ৬ শতাংশেরও কম। তবে এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের প্রায় ৬০ শতাংশই নারী উদ্যোক্তা।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০ শতাংশ। দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯৯ শতাংশই কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) খাতের অন্তর্ভুক্ত এবং মোট শিল্প কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশ এই খাতে সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন এসএমই ফাউন্ডেশন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এসব কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ লাখ উদ্যোক্তা সুবিধা পেয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশই নারী।







