সারাদেশ
তারেক রহমানের আগমনে সাহাপাড়ায় খুশির জোয়ার, খাল খনন ঘিরে উৎসবের আমেজ

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া গ্রামে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম ঘিরে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে সামনে রেখে পুরো এলাকায় দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদীপনা।
দীর্ঘদিন পর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের জোয়ার বইছে।
স্থানীয় বাসিন্দা একরামুল বলেন, “বহু বছর ধরে খালটি ভরাট হয়ে গিয়েছিল। বর্ষা মৌসুমে জমিতে পানি জমে থাকত এবং কৃষিকাজে চরম দুর্ভোগ হতো। পাশাপাশি জলাবদ্ধতার কারণে গ্রামের সড়ক ও বাড়িঘরের আশেপাশেও সমস্যা তৈরি হতো। এখন খাল খননের উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা নতুন আশা নিয়ে আছি।”
সাহাপাড়া গ্রামের আরেক বাসিন্দা মেহেদি হাসান বলেন, “আমরা বহুদিন ধরে খাল খননের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। খালটি ভরাট হওয়ায় বর্ষাকালে জমিতে পানি জমে যেত। এখন কাজ শুরু হওয়ায় আমরা খুব খুশি। এতে কৃষকরা বড় উপকার পাবেন।”
স্থানীয় কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “এই খালটি এক সময় এলাকার প্রধান পানি নিষ্কাশনের পথ ছিল। কিন্তু বছরের পর বছর পরিষ্কার না করার ফলে এটি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যদি খালটি ঠিকভাবে খনন করা হয়, আমাদের ফসলের ক্ষতি অনেকটাই কমে যাবে।”
গ্রামের গৃহিণী বিলকিস বেগম বলেন, “খাল খনন হলে শুধুমাত্র কৃষিকাজেই সুবিধা হবে না, গ্রামের পরিবেশও উন্নত হবে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই সমস্যার ভোগান্তি পোহাচ্ছিলাম। কাজ শুরু হওয়ায় সত্যিই ভালো লাগছে।”
স্থানীয়দের মতে, খালটি খনন সম্পন্ন হলে সাহাপাড়া ও আশেপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রামের পরিবেশও উন্নত হবে।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিএনপির ডাবোর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহরে বলেন, “সাহাপাড়ার এই ১২ কিলোমিটার খাল আমাদের অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে এই পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করতে আসছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমাদের নেতাকর্মীরা তো বটেই, সাধারণ মানুষও আজ অনেক আনন্দিত।”








