জাতীয়
চীনের অনুদানে নীলফামারীতে নির্মিত হবে ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল

নীলফামারী জেলায় চীন সরকারের অনুদানের ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনের কারিগড়ি প্রতিনিধি দল।
আজ শনিবার বেলা ১১ থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা শহরের অদুরে দারোয়ানী নামক স্থানে প্রস্তাবিত ২৫ একর জায়গা পরিদর্শন করেন দলটি। ৬ সদস্যের চীনের কারিগড়ি প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন দলনেতা ডং লি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফাতেমা তুজ জোহরা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইদুল ইসলাম, সিভিল সার্জন আব্দুর রাজ্জাক, নীলফামারী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাকিউজ্জামান প্রমুখ।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফাতেমা তুজ জোহরা বাসস’কে জানান, নীলফামারীতে চীন সরকারের অনুদানে ২৫ একর জমির ওপর আধুনিক ১০ তলা ভবন বিশিষ্ট ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মিত হবে।
ওই হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য ডরমেটরি ও আবাসিক ভবন, ডিরেক্টরস বাংলো, প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো এবং আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। ১হাজার শয্যার মধ্যে ৫শত সাধারণ এবং ৫শত হবে বিশেষায়িত শয্যা।
সিভিল সার্জন মো. আব্দুর রাজ্জাক বাসস’কে জানান, ২হাজার ২৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে স্বস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে। এ প্রকল্পে চীন সরকার অনুদান হিসেবে দিবে ২ হাজার ২১৯ কোটি টাকা।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বাসস’কে বলেন,‘ ৬ সদস্যের চীনা প্রতিনিধি দল আজকে প্রাথমিক সমীক্ষা চালিয়েছেন। এখানে কি কি সুবিধা আছে। কি কি সুবিধা প্রয়োজন হবে এসব সমীক্ষা করেছেন তারা। তাদের দেয়া প্রতিবেদনের পর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল এলাকা পরিদর্শন করবেন’।
তিনি জানান, এ হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি নেফ্রোলজি, কার্ডিওলজি, অনকোলজি, নিউরোলজিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। আধুনিক জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ, উন্নত ডায়াগনস্টিক এবং অপারেশন সুবিধাসহ জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে।







