ক্যাম্পাস
সীমান্তে হত্যা ও মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবি ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ

সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ড এবং ভারতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তি।
রোববার (১০ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সরকারের নীরবতার সমালোচনা করেন। তারা বলেন, সীমান্তে একের পর এক বাংলাদেশি নিহত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।
জাতীয় ছাত্রশক্তির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, “ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বেড়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে বাংলাদেশের সরকার এখন পর্যন্ত কোনো শক্ত অবস্থান নেয়নি।”
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, “মিস্টার পাপেট প্রধানমন্ত্রী, আপনি ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করে ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষমতায় তারাই টিকে থাকবে, যারা দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলবে।”
শাহিন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “গতকাল বিএসএফের গুলিতে দুইজন বাংলাদেশি নিহত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।”
এসময় জাতীয় ছাত্রশক্তির জবি শাখার সংগঠক সজীব মৃধা বলেন, “বিগত সরকার ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে বাংলাদেশের মানুষের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে। বর্তমান সরকারও আগের সরকারের মতো ভারতের সঙ্গে একই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলছে কি না, সেটি স্পষ্ট করা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অবশ্যই থাকবে, তবে তা হতে হবে বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছা ও স্বার্থের ভিত্তিতে।”
শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, “বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুসলমানদের ব্যবসা-বাণিজ্য দখল করে নিচ্ছে উগ্রবাদীরা। এমনকি তারা মসজিদে নামাজ আদায়েও বাধা প্রদান করছে।”
তিনি আরও বলেন, “ভারতের অনেক মুসলমানকে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে নির্বাচনে ভোট প্রদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে।”
সমাবেশ শেষে দ্রুত সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।







