ক্যাম্পাস

আওয়ামী শাসনামলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কুরবানির গোশত জব্দের ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চায় রাবি ছাত্রশিবির

রাবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

আওয়ামী শাসনামলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কুরবানির গোশত জব্দের ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চায় রাবি ছাত্রশিবির- খবরের থাম্বনেইল ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২২ সালের কুরবানির ঈদের সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য আনা কুরবানির গোশত জব্দের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে রাবি শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। একইসাথে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন এবং জব্দ করা গোশতের বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।


বুধবার (২৭ মে) সংগঠনটির সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল ও সেক্রেটারি মেহেদী হাসান এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।


বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০২২ সালের কুরবানির ঈদের ছুটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক হলগুলো খোলা রাখা হলেও হলের ক্যান্টিন ও ডাইনিং বন্ধ ছিল। সে সময় প্রায় ২২৬ জন শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করলেও তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে ছাত্রশিবির অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরবানির গোশত উপহার হিসেবে পৌঁছে দেয়, যা ছিল ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার একটি আন্তরিক প্রয়াস।


তারা আরও বলেন, তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে প্রভোস্ট কাউন্সিলের জরুরি সভা ডেকে গোশত জব্দের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যারা গোশত পৌঁছে দিয়েছিল, তাদের শনাক্ত করে আইনি হয়রানির মুখোমুখি করা হয়।


বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া ছাত্রশিবিরের উদ্যোগকে বিতর্কিত করে তৎকালীন “আওয়ামী ফ্যাসিবাদী প্রশাসন” ছাত্রশিবিরের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তারা।


নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জব্দ করা গোশত পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হলেও, সেই গোশতের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল সে বিষয়ে আজও কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তাই বর্তমান প্রশাসনের কাছে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের ভূমিকা ও জব্দকৃত গোশতের বিষয়ে একটি তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের জোর দাবি জানান তারা।


সম্পর্কিত খবর