ক্যাম্পাস

সিকৃবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এগ্রিফেস্টিভ্যাল-২০২৬ আয়োজিত

ডেস্ক

শেয়ারঃ

সিকৃবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এগ্রিফেস্টিভ্যাল-২০২৬ আয়োজিত - খবরের থাম্বনেইল ফটো

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) কৃষি অনুষদের উদ্যোগে দিনব্যাপী এগ্রিফেস্টিভ্যাল-২০২৬ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন প্রদর্শনী স্টলের উদ্বোধনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।


দুপুরে কৃষি অনুষদের ব্যবহারিক মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম। উদ্বোধন শেষে কৃষি অনুষদ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়।


পরে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম সংলগ্ন মুক্তমঞ্চ এলাকায় স্থাপিত বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন ও উদ্বোধন করা হয়। স্টলগুলোতে কৃষি শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, শিক্ষার্থীদের গবেষণাকর্ম এবং কৃষিভিত্তিক নানা সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এসব প্রদর্শনী ঘিরে শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।


অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি কৃষি মেলা গড়ে তোলা, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষক ও গবেষকদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কৃষকরা আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরাও মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে। কৃষির উন্নয়ন ও টেকসই অগ্রগতির জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”


সভাপতির বক্তব্যে কৃষি অনুষদের ডিন এবং এগ্রিফেস্টিভ্যাল-২০২৬ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমান উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের যে ধারা তৈরি হয়েছে, তা সিকৃবিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। তাঁর আন্তরিকতা ও দূরদর্শী পরিকল্পনার ফলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ইতিবাচক ও কর্মমুখর পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”


আয়োজকরা জানান, সন্ধ্যায় স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হবে। দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে রাত সাড়ে ৯টায়।


সম্পর্কিত খবর