সারাদেশ
খুলনায় প্রথম কর্মদিবসেই নৃশংসতা: টিকিট কাউন্টারে তরুণকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা!

ছবি : সংগৃহীত
খুলনার দৌলতপুরে চাকুরির প্রথম দিনেই এক তরুণকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তরুণ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) এশার নামাজের সময় দৌলতপুর বাস টার্মিনাল এলাকার 'এনা পরিবহন'-এর টিকিট কাউন্টারে এই শিউরে ওঠার মতো ঘটনা ঘটে।
আহত তরুণের নাম ইমন (২০)। তিনি সরকারি বিএল কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ইমন দিঘলিয়া উপজেলার সেণহাটি এলাকার শাহজাহান সাজুর ছেলে। পড়াশোনার পাশাপাশি আজই প্রথম তিনি ওই কাউন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন।
পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো কাউন্টারে দায়িত্ব পালন করছিলেন ইমন। এশার নামাজের সময় কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা অন্য এক মুরুব্বি নামাজ পড়তে মসজিদে যান। নামাজ শেষে কাউন্টারে ফিরে এসে তিনি ইমনকে সেখানে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে কাউন্টারের বাথরুমের মেঝেতে ইমনকে রক্তাক্ত ও গলা কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় ইমনকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১১/১২ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন।
লোমহর্ষক এই ঘটনার খবর পেয়েই খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) এবং ইমনের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে যান। তবে কী কারণে বা কারা ইমনের ওপর এই নৃশংস হামলা চালিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
দৌলতপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে ইতিমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। কাউন্টার ও আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার প্রস্তুতি চলছে।






