ক্যাম্পাস
চার হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে বেরোবি ছাত্রদলের ইফতার মাহফিল

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াসহ জুলাই আন্দোলনের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল।
রোববার (৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক প্রাঙ্গণে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ছাত্রদল আয়োজিত কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণীও অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের যথাক্রমে ১০ হাজার, ৫ হাজার ও ৩ হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সকলকে সৌজন্য পুরস্কার হিসেবে ইসলামিক বই দেওয়া হয়।
ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী, প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবী ডন, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ মুসাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে উপাচার্য ড. মো. শওকাত আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের অনুষ্ঠান সাধারণত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে যা যা করা প্রয়োজন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য সবার ইতিবাচক সহযোগিতা প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন, পবিত্র রমজানের এ বরকতময় সময়ে কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল আয়োজন করতে পেরে আমরা কৃতজ্ঞ। এটি শুধু একটি ইফতার অনুষ্ঠান নয়, বরং আমাদের আদর্শ, ত্যাগ ও সংগ্রামের চেতনাকে স্মরণ করার একটি উপলক্ষ। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। একইভাবে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের স্মৃতি আমাদের ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে শক্তি জোগায়।
তিনি আরও বলেন, শহীদদের আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমরা সাম্য, ন্যায় ও মানবিকতার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আজকের এই আয়োজন আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে বলে আমরা আশা করি।
বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বিশ্বাসী মানুষের জন্য আমাদের সংগঠন উন্মুক্ত। ইফতারের এই পবিত্র সময়ে সবার কাছে দোয়া চাই, যেন আমরা ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীবান্ধব এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারি।








