ক্যাম্পাস
পাবিপ্রবিতে ভর্তিচ্ছুদের পাশে স্বেচ্ছাসেবক ও রাজনৈতিক সংগঠন

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি)-এ ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে আগত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনসহ বিভিন্ন সহায়তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিট (মানবিক) বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের বাঁ পাশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পাবিপ্রবি শাখা তিনটি সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করেছে—একটি পরীক্ষার্থীদের তথ্য সহায়তা কেন্দ্র, একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং একটি অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামকেন্দ্র। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ, মোবাইল ফোনসহ পরীক্ষা কেন্দ্রে নিষিদ্ধ জিনিসপত্র সংরক্ষণ করে পরীক্ষা শেষে সেগুলো সুষ্ঠুভাবে ফেরত দেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার পানি, স্যালাইন, কলম ও চকলেট বিতরণ এবং হাতপাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়। তীব্র গরমে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের জন্য ফ্রি মেডিকেল সেবাও প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরও পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের জন্য একটি সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করে। তারা পরীক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ জিনিসপত্র সংরক্ষণ ও পরীক্ষা শেষে তা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি খাবার পানি, স্যালাইন, কলম ও চকলেট বিতরণ করে। অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামের ব্যবস্থাও রাখা হয়।
ইনকিলাব মঞ্চ পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য একটি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করে। তারা পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংরক্ষণ, খাবার পানি, স্যালাইন ও চকলেট বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করে।
পাবিপ্রবির সামাজিক সংগঠন গ্রীন ভয়েজ শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারা শিক্ষার্থীদের ব্যাগ ও বিভিন্ন ডিভাইস সংরক্ষণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি খাবার পানির ব্যবস্থাও করে।
নওগাঁ জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের জন্যও একটি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের জিনিসপত্র সংরক্ষণ, খাবার পানি সরবরাহ এবং অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়।
ছাত্রদল সভাপতি মোজাহিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি শিক্ষার্থী-বান্ধব সংগঠন। আমরা সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অভিভাবকদের জন্য বসার ব্যবস্থা করেছি। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের ব্যবস্থাও রয়েছে।”
ছাত্রশিবির সভাপতি তুষার মাহমুদ বলেন, “বিগত বছরগুলোর মতো এবারও আমরা এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের জন্য হেল্প ডেস্ক, অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। পাশাপাশি পানি ও খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।”
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক মজনু আলম বলেন, “শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য আমরা তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করেছি। পরীক্ষার্থীদের জন্য খাবার পানি, স্যালাইন ও চকলেটসহ সামান্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া ব্যাগ, মোবাইল ও ঘড়ি রাখার ব্যবস্থাও রয়েছে।”







