ক্যাম্পাস

জুলাই সনদ ও গণভোটের জনরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জবি ছাত্র শক্তির মানববন্ধন

জবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

জুলাই সনদ ও গণভোটের জনরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জবি ছাত্র শক্তির মানববন্ধন- খবরের থাম্বনেইল ফটো

জুলাই সনদ ও গণভোটের জনরায় বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখাজাতীয় ছাত্রশক্তি।


বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন শাখা সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।


এই সময় শাখা সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস শেখ বলেন, “শেখ হাসিনা যেমন ভারতের দাসত্ব কায়েম করেছিলেন, আমাদের ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হতে হবে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে—কোনো দাসত্বের নয়। আপনাদের এখন থেকেই সাবধান হতে হবে।”


সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, “বিএনপি সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। আমরা যারা জুলাই যোদ্ধা দাবি করি, তারা আজ জুলাইকে অস্বীকার করছে। তারা তখন লন্ডনে ছিল। তারা বারবার জনগণের সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টা করছে। ২০২৪ সালে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর রক্তের তোয়াক্কা না করে তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। জনগণের রক্তকে অস্বীকার করলে লন্ডন বা ভারতে পালানোর কোনো জায়গা থাকবে না।”


তিনি আরও বলেন, “বিচার বিভাগের স্বাধীনতা দিতে হবে। নগ্নভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। বিসিবিতে বিভিন্ন নেতার সন্তান ও স্ত্রীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমাদের জুলাইয়ের পর নতুন বাংলাদেশের যে আকাঙ্ক্ষা, তা ভূলুণ্ঠিত করবেন না।”


শাখা ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, “বিএনপি লড়াইয়ের ইতিহাস ভুলে গেছে। একইভাবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকেও তারা ভুলে গেছে। তারা তাদের ৩১ দফাও ভুলে গেছে। সংবিধান সংস্কারের বিষয়টি তারা মিশিয়ে ফেলেছে। তারা আওয়ামী লীগের আমলের রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখেছে। পৃথক বিচার বিভাগের অধ্যাদেশ বাতিল করার চেষ্টা করছে।”


তিনি আরও বলেন, “হাসিনার মতো লোয়ার কোর্টেও চক্রান্ত শুরু করেছে বিএনপি। জুলাই আন্দোলন হয়েছিল কোটা সংস্কারের দাবিতে। পিএসসিতে দলীয় লোক বসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কীভাবে মবের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক দখল করা হয়েছে, সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ। বিসিবি ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। জুলাই সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নের দায় আপনাদের ওপর। নির্বাচন কমিশনের আইন পাস করতে হবে। জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করুন।”


সম্পর্কিত খবর