ক্যাম্পাস
রাবি ছাত্র উপদেষ্টাকে ছাত্রদল নেতার হুমকির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে শাখা ছাত্রশিবির

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র উপদেষ্টা ও ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম কনককে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম কর্তৃক দেওয়া হুমকির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাবি শাখা ছাত্রশিবির।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বেলা ১টায় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, শরিফুল ইসলাম যেভাবে ‘শিক্ষক শিক্ষকের মতো থাকেন, না হলে কান বরাবর পড়বে’ বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন, তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে এভাবে হুমকি দেওয়া শুধু অনাকাঙ্ক্ষিত নয়, বরং সন্ত্রাসী ও উগ্র আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ সবার প্রত্যাশা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে ভিন্নমত থাকবে, আলোচনা-সমালোচনা হবে যৌক্তিকভাবে। কিন্তু পুরোনো স্বৈরাচারী কায়দায় শক্তি প্রদর্শন ও ক্ষমতার দাপট দেখানো কোনোভাবেই কাম্য নয়। একজন শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার হুমকি দেওয়া স্বৈরাচারী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।”
তারা আরও বলেন, “রাবি ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে ছাত্রদল নেতার এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত করবে। ভিন্নমত দমন ও দখলদারিত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। পাশাপাশি, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে রাবি ছাত্রদলের ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই।”
উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল শাখা ছাত্রদলের এক নেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলামের একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যে ‘শিক্ষক শিক্ষকের মতো থাকেন, না হলে কান বরাবর পড়বে’ বলে হুমকি দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।






