জাতীয়
চট্টগ্রাম–১৪ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ; এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসনে ভোটগ্রহণে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন অলি আহমদ। শুক্রবার এক ভিডিও বক্তব্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি বলেন, ভোটের দিন বিকেল ৪টার পর বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।
এ আসনে এলডিপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন তাঁর ছেলে ওমর ফারুক। বেসরকারি ফল অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজয়ের প্রেক্ষাপটে এলডিপি এ অভিযোগ উত্থাপন করেছে।
ভিডিও বক্তব্যে অলি আহমদ দাবি করেন, বিশেষ করে হাসিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাসিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দোহাজারী আবদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টার পর ‘অপরিচিত লোকজন’ প্রবেশ করে ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার ঢুকিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং কয়েক হাজার ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, যার ব্যাখ্যা দেখানো হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন একতরফাভাবে দায়িত্ব পালন করেছে বলে তাদের ধারণা। নির্বাচনের দিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মিছিল ও যানবাহন চলাচল নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
এলডিপি চেয়ারম্যানের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাদের প্রার্থীকে পরাজিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনের পর এলাকায় তাদের কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার আহ্বান জানান।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অল্প ভোটের ব্যবধানে ফলাফল নির্ধারিত হলে অভিযোগ-আপত্তি ওঠা স্বাভাবিক। সুষ্ঠু তদন্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এসব বিতর্কের অবসান সম্ভব।








