ক্যাম্পাস

তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে আগামী বিশ্বের রূপরেখা

শামীম ভূইয়া, চবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে আগামী বিশ্বের রূপরেখা- খবরের থাম্বনেইল ফটো

তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমেই আগামী বিশ্বের রূপরেখা নির্মিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা জরুরি।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগ এবং Gender and Adolescence: Global Evidence (GAGE)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন “Adolescent and Young People’s Wellbeing in Bangladesh”-এ বক্তারা এসব কথা বলেন।


গত ১১ ও ১২ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।


উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ মাসাকি ওয়াতাবে, GAGE এর পরিচালক ড. নিকোলা জোন্স, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. সারাহ বেয়ার্ড।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. মো. আলা উদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করেন বিভাগের সভাপতি ড. মো. আশরাফুজ্জামান।


সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেরা তিনজন পোস্টার উপস্থাপককে পুরস্কৃত করা হয়। এ অধিবেশনে বক্তব্য দেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. খাদিজা মিতু এবং GAGE-এর পরিচালক ড. নিকোলা জোন্স।


সমাপনী বক্তব্যে ড. নিকোলা জোন্স বলেন, “জেন্ডার ইস্যু ও তরুণ প্রজন্মকে কেন্দ্র করে আমাদের কাজ চলমান। তরুণদের সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও গতিশীল বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য তাদের জন্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে।”


তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি দেশ তরুণদের নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই এগিয়ে যায়।”


আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. খাদিজা মিতু বলেন, “এই সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণাগুলো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কিশোর-কিশোরীদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর দিকনির্দেশনা দেবে। একই সঙ্গে এসব গবেষণা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”


তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সম্মেলনে গবেষণা প্রবন্ধ ও পোস্টার উপস্থাপন করেন, যা একাডেমিক জ্ঞান বিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।


সম্পর্কিত খবর