সারাদেশ
চট্টগ্রামে গ্রাফিতি কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা, ডিসি আমিরুলের প্রত্যাহার দাবি

চট্টগ্রাম শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারে গ্রাফিতি আঁকার একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উত্তর জোনের উপকমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীর গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে কোতোয়ালীর দামপাড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। সেখানে ছয় দফা দাবি লিখিতভাবে উপস্থাপন করেন চৌধুরী সাইফুল ইকবাল।
মঙ্গলবার দুপুরে কোতোয়ালীর দামপাড়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা এ অভিযোগ তুলে ধরেন। সেখানে ছয় দফা দাবি লিখিতভাবে উপস্থাপন করেন চৌধুরী সাইফুল ইকবাল।।
সংবাদ সম্মেলনে নুসরাত জাহান বিনতি নামের এক শিক্ষার্থী জানান, সোমবার কয়েকজন শিক্ষার্থী ফ্লাইওভারে গ্রাফিতি আঁকার সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এক পর্যায়ে কয়েকজনকে আটক করার চেষ্টা করা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং নারী পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
বিনতি অভিযোগ করে বলেন, ‘এই সময় ডিসি আমিরুল নিজে এসে আমাদের এক নারী সহযোদ্ধার গায়ে হাত দেন। আমরা বিষয়টি সিএমপি কমিশনারকে জানিয়েছি।’
লিখিত বক্তব্যে সাইফুল ইকবাল বলেন, সিএমপি আগে থেকেই জমায়েত, মিছিল–মিটিং নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু তারা কোনো ধরনের মিছিল বা জমায়েত করতে যাননি। শুধু গ্রাফিতি আঁকতে গিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের একজন কর্মকর্তার নির্দেশে তাদের ওপর অযথা বল প্রয়োগ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর সিএমপি কমিশনার কার্যালয় থেকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বর চাওয়া হয়। নম্বর দেওয়া হলেও পরে দেখা যায়, সেই কাগজ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ফেসবুক পেজে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিষয়টিকে শিক্ষার্থীরা ‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’ হিসেবে দেখছেন।
শিক্ষার্থীরা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।








