ক্যাম্পাস

রাবিতে জুনিয়রকে সিগারেট খেতে নিষেধ করায় বহিরাগত এনে সিনিয়রকে মারধর

রাবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

রাবিতে জুনিয়রকে সিগারেট খেতে নিষেধ করায় বহিরাগত এনে সিনিয়রকে মারধর - খবরের থাম্বনেইল ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সিগারেট খেতে নিষেধ করায় বহিরাগত এনে সিনিয়রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই ডিপার্টমেন্টের এক জুনিয়রের বিরুদ্ধে।


রবিবার ( ২৬ এপ্রিল) সন্ধা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে এ ঘটনা ঘটে।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী শাওন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয় ফুটনল টিমের একজন খেলোয়াড়। অন্যদিকে হামলাকারী আকাশ একই বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।


জানতে চাইলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শাওন বলেন, ঘটনার সুত্রপাত হয় ও আমার জুনিয়র, তখন প্রথম বর্ষে পড়ে। একদিন চারুকলায় আমরা বান্ধবীরাসহ মঞ্চে বসে ছিলাম, তারপর ও মঞ্চের দিকে এসে সিগারেট ধরাই এবং আমাদের বান্ধবীদের বলে আপু একটু সাইডে গেলে ভালো হয়। ও তখন আমাকে লক্ষ্য করেনি। আমি তাকাই দেখি যে ও আর আমি এই ছেলেকে যেহেতু আমার ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হইছে জুনিয়র।

পরে আমি বললাম তুই এখানে কেনো, পরে ও বললো এমনি ভাই কিছু না পরে কথা বলে ওকে ছেড়ে দিয়েছি।


মারধরের বিষয়ে বলেন, আজকে আমি আমার প্রাকটিস শেষ করে বাসায় যাচ্ছিলাম। আমাকে অতর্কিত হামলা করে। আমি বাইকে ছিলাম বাইকে থাকা অবস্থায় আমাকে নিচে ফেলে দিয়ে মারে। আমার হাত ভেঙে যাওয়ার উপক্রম। ওর সাথে ৫/৬ জন বহিরাগত ছিলো। তাদের হাতে কোনো দেশীয় অস্ত্র ছিলো কিনা আমি তা টের পাইনি কারণ আমি ট্রমাটাইজড হয়ে যাই যেহেতু দীর্ঘ সময় খেলাধুলা করে আসছি।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুব রহমান বলেন, আমরা যতটুকু জেনেছি সিনিয়র জুনিয়রের মধ্যে কিছুটা মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ছিলো তারই প্রেক্ষিতে এক জুনিয়র চারুকলারই শিক্ষার্থী তার সিনিয়রকে বহিরাগত কিছু বন্ধু ডেকে এনে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে মারধর করে। ওর সঙ্গে যারা বহিরাগত ছিলো তারা মেরে দ্রুত পালিয়ে যায়, পরে চারুকলার শিক্ষার্থীরা একজোট হয়ে একজনকে আটক করে মারধর করে। তারপর কিছু শিক্ষার্থী তাকে উদ্ধার করে এক জায়গায় আটকে রেখে আমাদের কল করে।


তিনি বলেন, পরে আমরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে জানতে পারি ছেলেটা রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী, এরপর আমরা রাজশাহী কলেজের টিচারেদর সাথে কথা বলে পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের পাঠানো প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেই। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের বলব সিনিয়র জুনিয়রদের মধ্যে যদি কোনো মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব থাকে তাহলে সেটা নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে ফেলা। পরবর্তীতে যেন নিজেদের মধ্যে আর কোনো ঝামেলা তৈরি না হয়।



সম্পর্কিত খবর