ক্যাম্পাস

চবিতে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার

চবি প্রতিনিধি

শেয়ারঃ

চবিতে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার - খবরের থাম্বনেইল ফটো

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সাইন্স এন্ড ফিশারিজ ইন্সটিটিউট সংলগ্ন স্থানে নির্মিত হয়েছে এই অত্যাধুনিক ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার।


২০২৪ সালের ডিসেম্বরে চবি ওশানোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিনের প্রস্তাবিত ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীনের সেকেন্ড ইন্সটিটিউট অব ওশানোগ্রাফির সাথে ওয়ার্কিং এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়। পরে ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টারের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হয়।


অবকাঠামোগত নির্মাণ শেষে ২০২৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চবি সিন্ডিকেটের ৫৬৬তম সভায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনকে একটি স্বতন্ত্র রিসার্চ সেন্টার হিসেবে অনুমোদন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এই স্থাপনার নাম পরিবর্তন করে রাখে স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার, ইউনিভার্সিটি অব চিটাগং। অত্যাধুনিক এই রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক হিসেবে ওশানোগ্রাফি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।


সম্প্রতি দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার পরিদর্শন করেছেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। এই রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন শেষে চবি উপাচার্য বলেন, “এ সেন্টার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় সম্পদ। এটি পুরোদমে কার্যকর হলে পুরো দেশ এর সুফল পাবে। চবি ক্যাম্পাসে স্থাপিত অত্যাধুনিক সমুদ্র গবেষণার এ অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সুবিধাসমূহ বঙ্গোপসাগরের নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে বিশেষ অবদান রাখবে যা ব্যবহার করে আমাদের শিক্ষার্থীরা ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে গবেষণা করতে সক্ষম হবে এবং দেশ ও জাতি এর সুফল ভোগ করবে।”


সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন বলেন, “স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টারের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে টার্গেটকৃত স্যাটেলাইট থেকে ডাটা ডাউনলোড, প্রসেসিং প্রোগ্রামিং ও অ্যালগরিদম উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা মে ২০২৬ এর মধ্যে সম্পন্ন হবে।


চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ রাষ্ট্রীয় সমুদ্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেকেন্ড ইন্সটিটিউট অব ওশানোগ্রাফি এর সহায়তায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার নির্মিত হয়েছে। এই সেন্টার নির্মাণে চীনা গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেকেন্ড ইন্সটিটিউট অব ওশানোগ্রাফি সকল প্রকার টেকনিক্যাল ও ইন্সট্রুমেন্টাল সহায়তা প্রদান করেছে।



সম্পর্কিত খবর